প্রার্থনা

ঠাঁই দিও হে প্রভু তোমার চরণে , ঠিকানা যে গেছে মোদের হারিয়ে। কোথা কোথা খুঁজিব ঠিকানা, সর্বত্র যে এখন করোনা। তাইতো তোমার চরণে ঠেকায় মাথা , দূর করে দিও হে প্রভু সকল ব্যথা। করোনা মুক্ত করো এই সুন্দর ভুবন, কথা দিলাম-করবো না পরিবেশ দূষণ। মানুষকে করেছো তুমি বন্দী, স্বাধীন হয়েছে এই প্রকৃতি। মানুষ যাকে ঢাকিয়ে দিয়েছিলো দূষণ মাঝে, আজ সে শুধু হাসে নিজ রূপের বাহারে। ভাইরাস মুক্ত করো হে প্রভু এই পৃথিবীকে , কথা দিলাম- মায়ের আসনে বসাবো এই প্রকৃতি কে। তুমি হে প্রভু মোদের ভরসা, সকলের হয়ে চাইছি আমি ক্ষমা।

Dream


Dream a dream
Deep at a silent night,
Give a life to the dream
By visualizing it.
Spend some time with the dream.
A film should play inside your mind.
Dream is live,
You are the director.
Life is full of vibe,
You are the owner.
You live according to your style,
Make the dream big,
Life is short and versatile,
You have to dig
Your goal, then your dream
Will get a permanent life.
_________________________________
Daily we should visualize that the dream has been fulfilled. Then only your dream will be converted into the reality. Stay blessed!

প্রাকৃতিক আমি

Myself on the Tree


সূর্য যখন ঢেকে মেঘেদের মাঝে ,

আমি তখন রাস্তায় লোকারণ্যে। 

আকাশে যখন মেঘগুলো ভাসে ,

আমার মনে তখন নানানরকম চিন্তা আসে। 

মেঘেদের যেমন যাওয়া আসা তবু ও বৃষ্টির নেই দেখা ,

ঠিক তেমনি আমিও শুধুই হাঁটতে থাকি,গন্তব্যস্থলে পৌঁছায় না  ।।

কখনো যখন গাছের পাতাগুলো স্থির,আর বাতাস গম্ভীর ,

আমি তখন মনকে মানিয়ে রুটিন টা করি মনঃস্থির। 

পরক্ষনেই যখন সূর্যের তেজে সব কিছু উত্তপ্ত ,

আমি তখন রান্নাঘরে রান্না-বান্না তে খুব ব্যস্ত। 

বিকেলের স্নিগদ্ধতায় সব কিছু নিমজ্জিত শীতল বাতাসে , 

আমি তখন বদ্ধ ঘরে বসে ,জানালার দিকে তাকিয়ে।।

প্রকৃতি যেমন মেঘ ,চাঁদ ,সূর্য এর যাওয়া আসা ঠিক করে ,

প্রকৃতি ঠিক তেমনি আমার জীবন-রুটিনটাও তৈরি করে। 

পরীক্ষার হলে রহস্যে ভরা মেয়েটি

সকাল থেকেই আকাশ গম্ভীর,

চারিদিকে শুধু কালো মেঘের ভীড়। 

ঝিরিঝিরি বৃষ্টি ,সাথে দমকা হাওয়া ,

ফনি কিংবা বুল্বুল এর  শুধু আসা আর যাওয়া। 

কখনো পশ্চিমবঙ্গে ,

আবার কখনো বাংলাদেশে। 

এইরকম এক মনখারাপের পরিবেশে 

মেয়েটি ক্লাসরুমে বসে ,

সব ছেলেমেয়েরা ঢুকছে একে একে,

প্রশ্ন সবার চোখে মুখে। 

এক অজানা ভয় ,

পরীক্ষার দিনে এমনটা সবারই হয়। 

তবুও এতজনের মাঝে ,

ওই মেয়েটি ই শুধু নজর কাড়ে। 

সমস্ত চাপ যেন আজ তার ঘাড়ে। 

মনে মনে শুধু বিড়বিড় করে। 

কি জানি কার সাথে এতো কথা বলে ?

চুপিচুপি দাঁড়ালাম তার পাশে,কৌতূহলে। 

ঢং ঢং বাজলো প্রশ্ন দেওয়ার ঘন্টা ,

এক নিমেষে বদলে ফেললো মনটা। 

এখন মেয়েটি একদম সিরিয়াস ,

সব উত্তর লিখার এক অদম্য প্রয়াস। 

মন কে শুধুই চাপ দিতে থাকে ,

রাতভোর অবধি একটার পর একটা 

উত্তর জমিয়ে ছিল যেখানে –

সেই মন সব ভুলে 

শুধু অন্যদিকেই ছুটে। 

মেয়েটির সাথে মেয়েটির মনের এক জোরালো লড়াই,

কপালের ভাঁজগুলোই সেই পরিচয় দেয়।  

জানা প্রশ্ন ,গতকালের কঠোর পরিশ্রম 

তবুও মনের ভালো লাগা সেই ভ্ৰম। 

আর তো মাত্র ৫টা মিনিট সময় 

মেয়েটির মনে কি পরীক্ষারই ভয়,

নাকি অন্য কিছু ?

সময় বলবে সব কিছু। 

মেয়েটি উত্তরপত্র দিয়ে ,

বসে রইলো আনমনে। 

আবার সেই দুটো চোখ এর গভীরতা ,

মুখে শুধুই বিষন্নতা। 

বাহিরে বৃষ্টির গর্জন বাড়তে থাকে ,

মেয়েটির চোখ  কিছু একটা আঁকতে থাকে। 

না ,পরীক্ষার জন্য চাপ নয় ,

মুখে চোখে অন্য কোনো ভয়। 

————————————————————————

বাকিটা এখানে নয় 

বলবো অন্য কোনো কবিতায় 

কি হয়েছিল মেয়েটির সাথে 

তুমি আছো বলে

তুমি আছো বলে ,

জীবন আজও ছন্দে চলে। 

তুমি আছো সাথে ,

তাইতো মন স্বপ্ন দেখে। 

তুমি আছো বলে , 

জীবনে শক্তি আসে। 

তুমি আছো পাশে ,

তাই আমার আমি সহজেই হাসে। 

তুমি আছো বলে ,

মনে সাহস আসে। 

একলা এক ঘরে ,

মন মানিয়ে নিতে জানে। 

তুমি আছো বলে ,

মন দূরত্ব কমাতে জানে। 

নাইবা থাকলে একদম কাছে ,

ফোন তো আছে আমার কাছে । 

তুমি আছো বলে ,

রাতের অন্ধকার যায় ঘুচে। 

ফোনে  খানিকক্ষণ কথা –

আলোকিত করে বিছানা। 

তুমি আছো বলে ,

একাকীত্বও আমার সাথে কথা বলে। 

তুমি আছো বলে ,

জীবন সামনের দিকে এগিয়ে চলে।