LOVE YOUR WORK

The people who are not being loved by their partners, for them I must suggest that they should love their works. First medicine is getting love from your spouse which I discussed on my previous blog but this is not in your hand fully. You have tried a lot for getting love from your spouse and you genuinely love your spouse, but proportionately, you are not getting that and you are being neglected, insulted. But we all know that every action has an equal and opposite reaction. In this case, where is that reaction? Are you not feeling irritated as you are loving your spouse but not getting it back? So what are you thinking? Are you thinking that Nature’s Law is not true?

If you don’t get the first one, take the second medicine. Second medicine is loving some actions, not your spouse. Love your work by heart without any expectation. If you expect something from your work and become impatient, that means you are not in true love with your work.

Not getting the first one does not mean that you are not blessed rather it means Nature wants to make you stronger, wants you to move in different direction. Nature’s law is true only. But difference is that the life path of someone who gets love is very smooth whereas other’s life path is not smooth. So start loving your works which will surely give you return gift.

Keep yourself always busy in your works. Never stay in idle mood. If you keep yourself idle, then your mind will be filled up by negative thoughts. Don’t allow it. If you keep yourself busy in working, you can sleep well at the end of the day and can start a fresh morning with some new innovative ideas which will make your work more charming.

Every woman's own space

Every woman should do job and thus she should become financially independent. I personally thank god for giving me a job. Office is my own space out of my family where I can breathe, I can think, I can discover new things. I can’t imagine the life without job.

Before marriage, women are dependent on parents and after marriage, they are dependent on their husbands/parent-in-laws. Why will this happen to a woman? Why some people are using women just for taking care of themselves.

If I raise this issue and start a debate, many people will ask me why I am treating that honest work like wrong way. Taking care of family members is a very novel task. Against this, I must reply that then all men should treat women as ‘Mother’. Does it happen so? In this advanced era, why most of the women are crying? Why women are not getting the required respect? Why men are using women for their household works? Can’t they do their own? Why a kid’s sole responsibility except money will be taken by mother? So, will men handle only financial issues? Many things can’t be done by money.

Who will look after that woman’s parents if the woman is not doing job? Will it be taken care by son-in-law? How many men are looking after their parent-in-laws? I think it is very rare incident.
Then, I must conclude saying that “awake my sisters and mothers, why will your brother only look after your parents? Dont you think, you also should have equal responsibility like your brother for looking after your parents? Are your husband looking after your parents like his own parents? If yes, then no problem, you are lucky enough. But in maximum cases, answer will be no. Then why are you not doing job? It is your life. Nobody has right to control it. So, please awake my sisters and mothers.”

নিজেকে খুশি রাখার কিছু উপায়

আমরা যখন ধ্যান এ বসি ,বুঝতে পারি আমাদের মন কত অশান্ত। মনের মধ্যে হাজার রকমের চিন্তা ঘুরতে থাকে। ব্যতিক্রম সব কিছুরেই আছে ,আমি একদম সাধারণ মানুষের কথা বলছি। যারা ইউ -টিউব এ ভিডিও দেখে অনেকবার মেডিটেশন করেও মন কে শান্ত করতে অক্ষম হয়েছেন তাদের জন্য কিছু উপায় :

১. মেডিটেশন (যে কোনো এক নির্দিষ্ট সময়ে):যারা মেডিটেশন করতে চান ,তাদের বলছি -মন শান্ত হচ্ছে না ,অনেক চেষ্টা করেছেন। চিন্তা করবেন না। মেডিটেশন করার সময়ে ১ থেকে ১০০ গুনতে থাকুন কিংবা যে কোনো ঠাকুরের নাম বার বার বার বলতে থাকুন, তবে একদম মনে মনে ,নিজেকে স্থির রাখুন ,চোখ বন্ধ রাখুন। এতে আপনার মন ব্যস্ত থাকবে ওই শব্দগুলোতে। আর এর ফলে ,মন অন্য কিছু ভাবতেই পারবে না।
কয়েক মাস পর যখন আপনি এইসবের সাথে অভ্যস্ত হয়ে যাবেন ,তখন আর সংখ্যা গুনবেন না।
দেখবেন তখন পুরো কাজ টা আপনি কত সহজে করতে পারবেন ঠিক যেমন আপনি ইউ-টিউব ভিডিও তে দেখেন।
২.ব্যস্ত রাখুন মন কে : যারা ১ নাম্বার উপায়টিতেও সফল হতে পারছেন না ,মানে যারা আরোই চঞ্চল ,তাঁদের কে বলবো -নিজেকে ব্যস্ত রাখুন ,যে কোন ভালো কাজে। যদি কাজ খুঁজে পাচ্ছেন না ,নিজের ঘর টা কে গোছান,ফার্নিচার এর পজিশন গুলো বদলে ফেলুন। যদি সেটাও ভালো না লাগে করতে ,তাহলে -একবার বাজার থেকে শুধুই ঘুরে আসুন ,কিংবা বারান্দায় দাঁড়িয়ে রাস্তার লোকজন কে দেখুন ,মন দিন তাদের কার্যকলাপের দিকে। আর সেই জন্য বারান্দা টা রাস্তার ধারে হলেই ভালো।
৩. ভালো থাকার অভিনয় করুন : আপনি হয়তো একদম ভালো থাকতে পারছেন না , কিন্তু তাও অভিনয় করুন যে আপনি ভালো আছেন। মিথ্যে হলেও দুটো ভালো কথা বলুন। সর্বোপরি, আমরা সবাই অভিনয় এর জাগতেই বাস করছি। তাই নিরাশ হবেন না ,মন না চাইলেও যে কোনো দুজন আপনজনের খুব প্রশংসা করুন।
৪. সাহায্য করুন : এই পৃথিবীতে অনেক মানুষের অনেক রকমের সাহায্য এর দরকার হয়। আপনি যে কোনো দুজন মানুষ কে সাহায্য করুন যে কোনো ভাবে। অর্থ দান ছাড়া অন্যভাবেও সাহায্য করতে পারেন। যদি প্রত্যহ তা করা মুশকিল মনে হয় আপনার ,তাহলে মাসে একবার করুন।
৫. আপনজনের স্পর্শ বা সান্নিধ্য: দিনের শেষে বাড়িতে আপনজনের  এর স্পর্শ বা সান্নিধ্য এর মধ্যে কিছুটা সময় কাটান। বাড়িতে বাচ্চা থাকলে ,তাকে আদর করুন।