Every Problem has a Solution

lock and key image এর ছবির ফলাফল

When a lock is made,a key for that lock is also made. When a mathematical problem is made,solution of that problem is also made. Similarly,when a problem related to anything-personal or professional is born,solution of that problem is also born.

So,be relax. Whatever problem you are facing must have solution. Just you need one dictionary for getting the solution of it.You need patience,guidance,consultation for getting the exact solution.

Human being creates problem, and solution is hidden within Nature.Human being has been created pollution and Nature shows us the solution path on which we should walk but human being is not listening to Nature.

Problem-solution is like hide and seek game. Sometimes, solution is hidden within the problem. We all should keep our eyes and ears conscious. We should adopt the proper guidance,proper consultation for finding the solution and we should be confident about getting the solution.

বাংলা সিরিয়েল

খুব সিরিয়েল দেখছেন ?সন্ধ্যেবেলাটা সিরিয়েল দেখেই কাটিয়ে দিচ্ছেন ?এটা আপনার রোজকার অভ্যাস হয়ে দাঁড়িয়েছে ?বাড়িতে আপনাদের সাথে বাচ্ছারাও সিরিয়েল দেখছে ?৫ বছরের বাচ্ছা তাই কোনটা আপনার বাড়ির কাজের লোক সহজেই বুঝে যাচ্ছে আর বড় বড় কথা বলছে ?কিন্তু তাও আপনি সিরিয়েল দেখার অভ্যেস কিছুতেই ছাড়তে পারছেন না ?

বাংলা সিরিয়েল গুলো কাকিমা ,জেঠিমা,দিদিমা,ঠাকুমাদের ভালোই মাতিয়ে রাখে। কিছু কিছু গ্রামে কাকু ,জেঠুরাও সিরিয়েল এ মেতে থাকে। সারাদিন কাজের শেষে ওই প্যাঁচানো সিরিয়ালগুলো কি করে যে কিছু মানুষের ক্লান্তি ঘোচায় তা কিছুতেই বোধগম্য হয়ে ওঠে না।

সব সিরিয়েল গুলো কিছুটা দেখলেই পরবর্তী ৫-১০ দিনের পর্বগুলোকে অনুমান করা যায়। সিরিয়েল রচয়িতাদের উদ্দেশ্য তো সিরিয়েল গুলো কে চটকে দেওয়া। একটা ভিলেন তো থাকবেই থাকবে। আর ওই ভিলেন এর কাজ ই হবে ভালো মানুষগুলোর ক্ষতি করা। ভালো মানুষগুলো ব্যাপারটা বুঝতে পেরে ওই ভিলেন এর শাস্তি দেবে ,শাস্তি পাওয়ার পর ভিলেন আরো বেশি বদমায়েশি শুরু করবে।

এই তো চলতে থাকে একবার ভালো মানুষগুলো কাঁদতে থাকে ,ভিলেন আনন্দ নিতে থাকে ,আবার কখনো ভালো মানুষগুলো ভিলেন কে শাস্তি দিতে পেরে উল্লসিত হয় আর ভিলেন আরো বাজে মতলব করতে থাকে। ব্যাস ,এই চলতে থাকে ঘুরে ফিরে।

সিরিয়েল রচয়িতাদের কাছে এটা একটা চাকরি। আপনাদের ই মনের রুচি টা বদলানো দরকার। মনে রাখবেন বউমা -শাশুড়ির লড়াই ,বাচ্ছাদের অতিরিক্ত বায়না সব কিন্তু আপনার সাথে বাড়ির বাচ্ছারাও ওই সিরিয়ালগুলোতে দেখছে। আপনারা যদি আপনাদের মনের রুচি বদলান ,সিরিয়েল রচয়িতারা বাধ্য হবেন সিরিয়ালগুলোর ধরণ বদলাতে।

বদলে ফেলুন আপনাদের রুচি। দেখতে থাকুন -দিদি নম্বর ওয়ান ,রান্নাঘর এই ধরনের সিরিয়ালগুলো। এমন সিরিয়েল দেখার জন্য প্রস্তাব পাঠান যেখানে শুধু ভালোটাই দেখাবে ,দেখাবে দুই জ্যা এর ভাব ,দেখাবে শাশুড়ি বউমা এর ঠিক মা-মেয়ের মতো সম্পর্ক। দেখাবে এক পথচারী এক শিশুকে বিপদ থেকে বাঁচিয়ে নিজের বাড়ি নিয়ে গিয়ে পরম যত্নে তাকে মানুষ করলো। আর বাচ্ছাটিও বড় হয়ে ওই পথচারী কে বাবার মতো ভালোবাসলো।

ভালো জিনিস দেখার অনেক গুন্ আছে। সবসময় ভালো জিনিস দেখুন ,ভালো কথা শুনুন ,দেখবেন বাড়ির পরিবেশ টা কেমন ভালো হয়ে গেছে।

One sided Love

Unconditional love is rarely found. But people used to say – “love him /her, but don’t expect from him/her, then only you will be happy”. This means, one sided love makes a man happy. Do you believe in this? One sided love is heavenly love. Above all, we all are human beings. For us, it is no way possible.

One sided love is not long lasting. The person who loves but not being loved simply destroy himself/herself by thinking of his/her lovers. And this is the reaction for one sided love.

One sided love will make your health deteriorating day by day. When you love but don’t expect means you are not happy. You are simply blaming yourself. You are thinking that he/she is great and you don’t deserve his/her love. This means that you are underestimating yourself. This implies that you don’t love yourself.

Hence, reaction of one sided love is underestimating yourself. First, love yourself. If you can’t love yourself, how do you expect that others will love you?

সাধারণ মানুষেই বেকারত্বের শিকার

হতাশায় ভুগছেন ? বাজারে একদম ই চাকরি নেই ? কিন্তু জিনিসপত্রের দাম তো হুড়হুড় করে বেড়েই চলেছে।অথচ আপনার মাইনে কিন্তু বাড়ছে না সেই ভাবে। এমন কি মাঝে মঝে এই ভয় টাও আপনাকে কুঁড়ে খাচ্ছে যে চাকরি টাই যদি না থাকে, কি হবে ?

১০ বছর আগে ১০,০০০ টাকার চাকরি পেয়ে খুব খুশিতে বিয়ে করে ফেলেছেন। বাড়িতে দুটো বাচ্ছা ,আর বয়স্ক বাবা মা রয়েছেন, তাদের কি করে খাওয়াবেন তাই ভাবছেন তো ?আপনার বাবা একটা প্রাইভেট স্কুলে পড়িয়ে আপনাকে অনেক কষ্টে মানুষ করেছেন। আপনি যা যা চেয়েছিলেন,ঠিক যেমনভাবে ,যে কলেজ এ পড়তে চেয়েছিলেন,আপনার বাবাও আপনাকে ঠিক সেইভাবেই পড়িয়েছেন।  অথচ আজ আপনি এতো বছর অভিজ্ঞতা অর্জন করেও পরিবারের স্বাছ্যন্দ বজায় রাখতে পারছেন না ?

আপনি রাতের পর রাত ঘুমোতে পারছেন না এই চিন্তায় ?একবার ভাবছেন ব্যবসা করবেন ?আবার কখনো ভাবছেন পশ্চিমবঙ্গের বাইরে যাবেন ? পশ্চিমবঙ্গের বাইরে গেলে বয়স্ক বাবা মা দের কে দেখবেন ? দিদি তো বিবাহিত ,শ্বশুরবাড়িতেই ব্যস্ত ?আমাদের ভারতবর্ষের সংস্কৃতি তে তো মেয়েরা শশুড়বাড়িকেই দেখে থাকেন। আপনার স্ত্রী তো দুটো বাচ্চার পড়াশুনো ,বাড়ির যাবতীয় কাজ করার পর আর সময় পান না ?সব কিছু ভেবে দেখছেন ,কিন্তু কোনো কিছুতেই সমাধান পাচ্ছেন না ?

দেখুন,দিনকাল ক্রমশই জটিলতর হয়ে উঠছে। সব সমস্যার ই সমাধান কিন্তু থাকে,সমস্যা যখন জন্ম নেই,সমাধান নিয়েই জন্ম নেয়।  আমাদের কাজ শুধু ঠান্ডা মাথায় সেটাকে খুঁজে বার করা। দেখুন তো নিচে উল্লেখ করা সমাধানগুলো আপনাকে সাহায্য করতে পারে কিনা :

১. আপনার সমস্যা শুধু আপনার না,আপনার কোনো সমস্যা মানে সেটা আপনার স্ত্রীর ও সমস্যা ,তাই দুজনে ঠান্ডা মাথায় আলোচনা করুন। মেয়ে বলে আপনার স্ত্রীকে হেয় করবেন না। আপনার মতো অনেকেই এই সমস্যায় ভুগছেন। তাই মাথা ঠান্ডা রাখুন। মনে রাখবেন বেশি চিন্তা ,অনিদ্রা এই সবের  জন্য আপনার শরীর খারাপ করলে,যেটুকু টাকা জমানো আছে সেইটুকুও শেষ হয়ে যাবে। পরিবারের বাকিদের অবস্থা আরো বাজে হয়ে যাবে।

২. আপনার স্ত্রীর যদি কোনো কাজে দক্ষতা থাকে ,যেমন ধরুন -সেলাই ,ছোট্ট বাচ্ছাদের পড়াশুনো শেখানো ইত্যাদি ,তাহলে তাকেও টাকা রোজগারের মাঠে নামতে বলুন।  সংকোচ করবেন না। বাঙালি সংস্কৃতিতে অনেকেই ভাবেন বাড়ির বউ বাহিরে যাবে না।  এইসব সংস্কার থেকে নিজেকে আগে মুক্ত করুন। মিলে মিশে দুজনে কাজ করুন।ভবিষ্যতের কথা চিন্তা করুন।

৩. সঞ্চয় করুন। দিনে ১০০০ টাকা রোজগার করলে ৬০০ টাকা আগে জমিয়ে রাখুন, বাকি ৪০০ দিয়ে সংসার চালান।  অযথা বেশি খরচ করবেন না। যা দিনকাল ,কিপ্টে হওয়া টা পাপের  ব্যাপার না কিন্তু।  শুধু লক্ষ্য রাখবেন আপনার কিপ্টেমির জন্য কারো ক্ষতি যেন না হয়।

৪. এই যুগ টা অনলাইনের যুগ।  তাই নতুন কিছু ভাবুন ,কম্পিউটার এ সব কাজ কর্ম শিখে রাখুন। এমন কিছু করুন যা কম্পিউটার ই হবে ,আর আগে কখনো কেও সেই কাজ কম্পিউটার এ করে নি।

দেখুন তো এই টিপস গুলো আপনার সমস্যা কিছুটা কমাতে পারে কিনা। যদি আপনারা এতে উপকৃত হয়ে থাকেন ,অবশ্যই আপনার  Mail -Id দিয়ে wordpress এ log -in করে like করবেন।

Never disappoint your closed ones as you are busy

You should never reply against a phone-call from your close friends and relatives that you are busy. Answering in this way interprets that you are not interested in listening to them. This means you are neglecting them.

I know, you are very much busy in your office work. It is really very difficult to attend the calls from your relatives. You have lot of pressure in delivering your project. But from other sides, two-three times calls are coming from your home. Every time, you are disconnecting the call. You are feeling irritated. Then, next time you receive the call and said –“I am very busy, I will call you later” and then you cut the call. You did not bother to hear the reason for which your closed one was calling you.

In this crucial situation, what are you doing when you feel going to toilet? Are you postponing this type of works also which are related with your health and is very personal to you? Definitely, you are not doing so because after a certain time, you can’t make yourself preventing from going toilet.

Can’t you reply your relatives who need you and who was calling you in your busy time that you would call them within 10-15 minutes? Then, when you will go for toilet, call them while you are walking towards toilet or when you are smoking or when you are taking your tea/coffee for releasing your stress from your daily office work.

Never reply that you are busy. You don’t know what will happen next moment. Never keep some space for regretting the works you have done with your closed ones. You should always take care of your relatives, closed ones.