দেখতে দেখতে কেটে গেলো তোমার ৭০ টা বছর। ইচ্ছে করছে আজ তোমার মুখ  থেকে কিছু শুনি জীবন সম্পর্কে তোমার কি মতামত। তবে তোমারটা শোনার আগে কিছু কথা আমি বলি যেগুলো আমি কখনো ভুলবো না।

ফিরে যাওয়া যাক পুরানো দিনগুলোতে। সেই তুমি কখনো সাদা জামা ছাড়া অন্য কোনো রং এর  জামা পরে স্কুল এ যেতে না। সত্যি তোমার ব্যক্তিত্বের কোনো তুলনা হয় না। তুমি ছিলে আমার স্যার।  প্রচুর ভয় পেতাম তোমাকে।ঘরের মধ্যে বা স্কুল এ সব জায়গাতেই তোমাকে ভয় পেতাম।স্কুলে তোমার সাথে আমার্ সম্পর্কটা ছিল শুধুই স্যার আর ছাত্রীর সম্পর্ক। কিন্তু ঘরে তুমি এক দায়িত্ববান পিতা। তুমি ক্লাসরুমে ঢোকার আগেই শুরু করে দিতে তোমার বক্ত্যব্য ,তুমি কি পড়াতে চাও সেইসব। ঠিক তেমনি বাড়িতেও  ঘুম থেকে উঠেই দেখতাম সবার হোমওয়ার্ক দেওয়া হয়ে গেছে। আমরা এতগুলো বোন ,সাথে থাকতো দাদা।  সব মিলে ৭ জনের হোমওয়ার্ক ,বিভিন্ন ক্লাস এর হোমওয়ার্ক।শুধুই কি হোমওয়ার্ক ? ভোরে দিতে হোমওয়ার্ক আর খুব সকালে মা এর সব গামলা ভরিয়ে রাখতে ,কুয়ো থেকে জল তুলে।গামলা ,কলসি  সব পাত্র গুলো ভরিয়ে রাখতে। 

চা করাটা কার কাছে শিখলাম সেটা মনে নেই। তবে একটা বকুনি না বলে পারছি না। মাঝে মাঝে সকালবেলা আমি চা করতাম। তখন আমি ক্লাস ৭ কি ৮ এ পড়ি। তুমি আমাকে চা করতে বলে পর দোকান দিকে চলে গেলে।আমি তোমায় ডেকে চা দিয়ে এলাম।একটু মুখ লাগিয়েই তুমি ডাকলে আমায় বললে – বাঃ ,খুব ভালো চা করেছিস তো ,সমুদ্রের জলের মতো। সেইদিন আমি খুব ভয় পেয়ে গেছিলাম। যদিও বরাবরই আমি তোমাকে খুব ভয় পেতাম।

আমরা সব ভাই বোনেরা তোমাকে প্রচুর ভয় পেতাম। সাদা কালো টিভি ছিল আমাদের বাড়ি তে।  টিভি টা বোধ হয় প্রয়োজনেই দেখা হতো। আইপিএল ম্যাচ  কিংবা দুর্দান্ত কিছু খবর থাকলেই তুমি টিভি টা খুলতে দিতে। কিন্তু আমাদের খুব ইচ্ছে করতো কিছু সিরিয়েল বা সিনেমা দেখতে। মনে আছে  আমি আর বোন সবচে ছোট বলে দাদা আর দিদিরা মিলে আমাদের কে বলতো তোমার কাছ থেকে পারমিশন নিতে।আমরা পারমিশন পেলেই আমি আর বোন বসে পড়তাম টিভির রুমে। তুমি দেখলে আমি আর বোন টিভি দেখছি।  তুমি নিচে চলে যাওয়া মাত্রই বাকি গ্রুপ এসে বসে পড়ত টিভির রুমে।

ক্লাস ৮ এ আমি পড়ি তখন।  মনে পরে একটা দিনের বিকেল এর কথা।  তুমি ঘরে ঢুকেই বললে -আজ একটা সুখবর আছে। আমরা সব বোনেরা উদগ্রীব কি খবর টা শোনার জন্য। তুমি বললে -তিনটে মেয়ে স্কলারশিপ পেয়েছে আমাদের স্কুল থেকে আর আমার নাম সবার আগে। এখন সব কিছু যখন একসাথে করে ভাবি তখন মনে প্রশ্ন জাগে যে তুমি তো সব সময় বা অকারণে আমাদের বকতে না। তাও  আমরা তোমাকে বাঘের মতো ভয় পেতাম কেন ?

তবে এই ঘটনাটা আবার দেখিয়ে দেয় যে ভয় পাওয়া টা আমাদের স্বাভাবিক ছিল। রাত্রি তখন ১০টা হবে। এখনকার দিনে কলকাতা শহরে রাত্রি ১০ টা রাত ই নয়। কিন্তু আমাদের গ্রাম টা সেই সময়ে ছিল একটু অন্যরকম। রাত্রি ৮-৯টার মধ্যেই সবাই ঘুমিয়ে পড়তো। বাবা মার্ রুমে বাবা মা ঘুমোচ্ছে।  আমরা বোনেরা কিন্তু জেগে আছি ,তবে পাশের রুমে।ছোটদি আর  দাদা মিলে আমাকে আর বোন কে বললো -“বাবা মা এর ঘরে দরজার পেছনে ওপরের দিকে একটা পেরেকে একটা থলে ঝুলছে আর তার মধ্যে কালকের  পুজোর কলা আছে।, যা না , তোরা দুজনে মিলে নিয়ে আয় ,বাবা মা তো ঘুমিয়ে গেছে”।ব্যাস আমরা ছোট্ট দুই বোন ওদের কথা মতো ঘরে ঢুকে যেই থলে টা পাড়তে যাই ,একটা জোরে আওয়াজ হয়, সেই আওয়াজ পাওয়া মাত্র বাবা জেগে ওঠে আর বোন দৌড়ে চলে যায়। বাবা বলে – কে ওখানে ?আমি সরল বা বোকা যাই বলো না কেন মাথা নিচু করে উত্তর দিই- আমি। তুমি বললে – লাইট টা জ্বালা।আমি জ্বালালাম। তুমি আমাকে তোমার কাছে ডাকলে।আমি ভয়ে মাথা নিচু করে গেলাম।তুমি বললে -কি বার করছিলিস? আমি বললাম ওরা  আমাকে কলা বার করতে বললো।তখন মা চিৎকার করে ওঠে পুজোর কলাগুলো তে হাত দিয়েছিস ?তুমি বললে কান ধর, আর এক পা তুলে দাঁড়িয়ে থাক। আমি সেইভাবেই দাঁড়িয়ে রইলাম আর আমার চোখ দিয়ে জল পড়তে থাকলো।কয়েক সেকেন্ড এর মধ্যেই তোমার কঠিন হৃদয় গোলে গেলো।তুমি বললে -আয় আমার পাশে শুয়ে পড়।  আমি তখনো ভয়ে কাঁপছি।তুমি আমাকে খুব আদর করলে, ভালোবাসলে। তারপর ঘুম ও পাড়িয়ে দিলে।একেই কি বলে বাবার ভালোবাসা ?কিন্তু বাবা আজ আমাদের হাতে টাকা ,তবুও কলা খেতে ভালো লাগে না , তখন কলা টাকে অমৃত লাগতো।তুমি শাসন ও করেছো আবার ভালোও বেসেছো। দুটো একসাথে ম্যানেজ করা খুব টাফ। আজ আমি মা হয়ে বুঝতে পারি।

তোমার মুখ থেকেই শোনা এই সত্যিকারের গল্পটা আজ বলা যাক। যদিও এই গল্পের আমি শ্রোতা ছাড়া কিছুই নই। জানি না সেই দুটো ছেলে এইটা পড়ার পার বুঝতে পারবে কিনা যে এইটা তাদেরকে নিয়েই লিখা।তোমারেই দুজন ছাত্র। ক্লাস এইট কি নাইন এ পড়ে হয়তো। ঘটনাটা শুরু করার আগে তোমার ক্লাস এর ব্যাকগ্রাউন্ড সম্পর্কে কিছু বলা যাক। তুমি ক্লাসে পড়ার মাঝে মাঝে হটাৎ করে প্রশ্ন ছুঁড়তে। প্রশ্ন টা ভালো খারাপ নির্বিশেষে সব্বাইকে ছুঁড়তে। তাই ভালো খারাপ সব্বাই তোমার ক্লাস এ চুপটি মেরে থাকতো। কেও বদমায়েশি করলে বা ক্লাসে প্রশ্নের উত্তর দিতে না পারলে তুমি তার কান মোলে দিতে।এইটা খুবই হাস্যকর।কারণ তুমি ঠিক কান মলতে না। সেটা আমিও লক্ষ্য করেছিলাম সেই সময়ে। কিন্তু বাড়িতে গিয়ে তোমাকে সেটা নিয়ে কোনো প্রশ্ন করার সাহস পেতাম না। অবশ্য পরে যখন কলেজ এ পড়তাম ,তখন তোমাকে জিজ্ঞেস করেছিলাম।তুমি তার কারণ ও বলেছিলে। যদি সেটা ছাত্রী হতো তুমি তার কানের দুল ধরে হালকা টোকা মারতে।আর যদি সেটা ছাত্র হতো তাহলে তুমি কানের পাতার নরম অংশ টা ধরে হালকা টোকা মারতে। কারণ হিসেবে তুমি বলেছিলে “শাসন করাটাই উদ্দেশ্য ,কিভাবে সেটা ম্যাটার করে না, আর তাছাড়া ওদের কানে খুব নোংরা ,শুধু শুধুই আমার হাত নোংরা করতে যাবো কেন ?”

তাই সাধারণভাবেই থমথমে ক্লাস চলছে।হটাৎ ওই দুটো ছেলে বাজে রকম আওয়াজ করে। তোমার চোখে ফাঁকি দেয়,কার এতো বড় সাহস ?ব্যাস তুমি রেগে গেলে।চিৎকার করে তাদেরকে দাঁড়িয়ে থাকতে বললে যেটা সবাই বলে।সাথে খুব জোরে মেরেছিলে ওদের হাতে।প্রশ্ন টা হল এতে নতুনত্বের কি আছে ? কিন্তু ঘটনাটা এখানেই শেষ হয় নি। সেই দুটো ছেলে অনেকবার সরি বলেছিলো ,সারা ক্লাস দাঁড়িয়েও ছিল। ক্লাস শেষ করার আগে তুমি তাদের কে অফিসের সামনে দেখা করতে বলেছিলে। তারা ভয়ে কাঁপতে কাঁপতে ক্লাস শেষ করেই তোমার সাথে দেখা করেছিল।তুমি তখন বলেছিলে লাস্ট ক্লাস এর পর দেখা করতে কারণ তুমি তখন ব্যস্ত  ছিলে। ওরা লাস্ট ক্লাসের পর অফিসের সামনে হাজির হয়েছিল। তুমি তখন তাদের বললে স্কুল গেট এর সামনে যেতে, আর অপেক্ষা করতে তোমার জন্য।তুমি তারপর গেট এর সামনে দেখা করলে ওদের সাথে। আর বললে তরনির দোকানের সামনে অপেক্ষা করতে। তুমি গিয়ে দেখলে ওরা দাঁড়িয়ে আছে। তুমি তাদের দোকানের ভেতরে গিয়ে বসতে বললে।ওরা বসলো। তুমিও তাদের পাশে বসলে। আর ওদের খুব বোঝালে ,একটু পর ই মিষ্টি চলে এলো ওদের সামনে। এই মুহূর্ত তা ওদের জীবনে একটা ট্রানজিশন পিরিয়ড ছিল। ওরা সেটা স্বীকার ও করেছিল।তারপর থেকে ওরা ক্লাসে খুব attentive থাকতো। ওদের জীবনটাই বদলে গিয়েছিলো। আমার তো মনে হয় ওদের সাফল্যের পেছনে তোমার অবদান অনেকটাই।

আরেকটা ঘটনাও বলা যাক। আমরা চার বোন আর দাদা হ্যারিকেন এর আলোয় একটা মাদুরে বসে পড়াশুনো করছি।সন্ধ্যেবেলা ,কি কাল সেটা ঠিক মনে পড়ছে না তবে খুব গরমকাল তো নয় কারণ গরমকালে আমরা ছাদে পড়তাম। আমাদের ঘরের নিয়মকানুন নিয়ে আগে কিছু বলা যাক। তুমি আমাদের খুব শাসন আর নিয়মের মধ্যে মানুষ করেছো। তবে সেই নিয়মগুলো healthy, যেমন হাতে একটুও নখ থাকা চলবে না, চুল খুলে রাখাও তোমার পছন্দ ছিল না।বিকেল  ৪-৫ টা ছিল আমাদের খেলার  সময়। আমি আর বোন ই খেলতে যেতাম ,আর দিদিরা কেও যেত বলে মনে পড়ছে না। গরমকালে খেলার সময়টা ছিল ৫-৬ টা। ৬টায়  বাড়িতে এসে পর হাত পা ধুয়ে প্রাথনায় বসতে হতো। সেটাও দেখার মতো ছিল। আমরা ৭ জন মিলে মাদুরে বসে প্রতিদিন সন্ধ্যেবেলায় প্রার্থনায় বসতাম। সাথে মা আর ঠাকুমাও থাকতো। আর মাঝে মাঝে তুমি ফাঁকা থাকলে তুমিও আমাদের সাথে বসতে। মেজদি বা বড়দি করতাল বাজাতো। ভগবান আছেন কিনা জানি না তবে এইটুকু বলতে পারি ভগবানের ওপর বিশ্বাস করে বাঁচতে ভালো লাগে। মনে হয় যেন মাথার ওপর একটা ছাদ আছে। মনে হয় খারাপ কাজ করলে তার সাথেও খারাপ হবে। কাওকে আঁকড়ে ধরে থাকতে ইচ্ছে করে। আর সেটা আমাদের মনের  মতো বানানো ভগবান হলে অনেক শক্তি পাওয়া যায়। তোমরা যারা ভগবানে বিশ্বাস কারো না তাদেরকে শুধু এটাই বলবো যে ওই প্রার্থনাগুলো করে মনে জোর পেতাম। তবে এই যে সব ভাই বোনে মিলে একসাথে প্রার্থনা করার রেওয়াজ সচরাচর কোথাও দেখা যায় না। প্রার্থনার পর আমরা সবাই পড়তে বসতাম।আমরা সবাই পড়ছি ,আমি দরজার দিকে পেছন ঘুরে বসেছিলাম।আর  দাদা ঠিক আমার উল্টোদিকে বসেছিল। তাই যথারীতি দরজা দিয়ে কেও এলে দাদাই প্রথম দেখতে পাবে। বাবা তখন বাজারে বা নিচে। আমরা ওপরতলায় পড়াশুনো করতাম। আমরা জানতাম যে বাবা তো ওপরে নেই ,তাই সব্বাই মিলে গল্প টা বেশ জমে গিয়েছিলো। ছোটদির একটা বাজে অভ্যাস ছিল ,চুল পেলেই ল্যাম্প এ ঢুকিয়ে তা পুড়িয়ে দিতো।আর চুল পোড়ার গন্ধ টা খুব বাজে। আমাদের গল্পের আসর তা ভালোই জমে যখন বাবা থাকতো না। আমাদের এই বৈঠক খানার নাম দেওয়া হয়েছিল বিদ্যাসাগর টেবিল। আর ছোটবেলা থেকেই আমি টুকটাক হাস্যকর কবিতা লিখতাম বলে দাদা আমার ছদ্মনাম দিয়েছিলো গোরাচাঁদ বাউরি। আমি তখন খুব ছোট ,নাম টা আমার পছন্দ হয় নি বলে খুব রাগ করেছিলাম। আমাদের আসর জমে গেছে ,ছোটদি মনের আনন্দে চুল পোড়াচ্ছে আর আমরা শুধু বকবক করে যাচ্ছি। এমন সময় হটাৎ দেখি দাদা চুপ হয়ে গেছে। আমি দাদা কে বলছি দাদা কি হয়েছে ,কিছু বলছিস না যে।দাদা মাথা  নিচু করে বলছে জ্যাঠাবাবু দেখছে। তখন আমি পেছন ঘুরে দেখি তাইতো বাবা দরজার ফাঁক দিয়ে আমাদের কে দেখছে আমরা পড়ছি কিনা। তারপর আমিও জোরে জোরে পড়তে লাগিয়ে দিই। বাবা,এইরকমই কড়া শাসন ছিল তোমার।আজ সত্যি মনে হয় তোমার শাসন ই ভালো ছিল। ছোটবেলাটাই ভালো ছিল।

বাবা তুমি সন্ধ্যেবেলায় রোজ আমাদের সাথে প্রার্থনায় না বসলেও সকালবেলা সব কাজ সেরে তুমি প্রার্থনায় বসতে।আর আমি তোমাদের সাথে ঘুমোতাম বলে আমার ঘুম ভাঙতো তোমার প্রার্থনায়। সেই মুহূর্তটা আমি আজ ও ভুলতে পারি না। তুমি হয়তো ভাবতে আমি ঘুমিয়ে আছি ,কিন্তু না আমি জেগে শুয়ে থাকতাম তোমার প্রার্থনা শুনবো বলে। দুষ্টুমি তে ভরা ছিল আমাদের পরিবার। সবার আগে আমার দুষ্টুমিগুলো দিয়ে ই শুরু করি। তখন আমি ক্লাস ফাইভ কি সিক্স  এ পড়ি। বাবা মাঝে মাঝে আমাকে বধূ ময়রার দোকান থেকে মিষ্টি নিয়ে আস্তে বলতো। টাকা সাথে সাথে দিতাম না। ধারে নিয়ে আসতাম। বাবা ,মাসের শেষে শোধ করতো। বাবা ২ টো দরবেশ আনতে বললে আমি তিনটে আনতাম।বাবা চারটে পেরা আনতে বললে আমি পাঁচটা আনতাম। ওই এক্সট্রা  টা আমি আনতে  আনতে  রাস্তা তেই খেয়ে নিতাম। এইভাবে কয়েক মাস চললো। যখন দেখলাম বাবা কিছুই বলছে না , তখন বুঝলাম যে বাবা বুঝতে পারে নি। এই করে আমার লোভ টা আরো বেড়ে গেলো। বাবা ২টো  দরবেশ আনতে বললে আমি তার সাথে আরো একটা দরবেশ আর দুটো পেরা জুড়ে দিতাম। আইটেম টাও এক্সট্রা নিতাম আর পরিমাণেও বেশি নিতাম। ব্যাস ,বাবা এইবার ধরে ফেললো। আর কথা কাটাকাটি শুরু হয় দোকানদার এর সাথে বাবার।  বাবা সেটা বাড়ি তে এসে সবার সামনে বলে যে দোকানদার এর কাছে এতো বেশি বিল হলো কি করে ,আগের মাসে তো দরবেশ কিনি ই নি। বাবা , আমাকে প্রশ্ন করলো। আমি ভয়ে মাথা নিচু করে বলেছিলাম -জানি না। কই ,বাবা ..সেইদিন তো তুমি আমাকে বকুনি দাও নি। সত্যি ,বাবা তুমি যে আমাদের কে বকুনির চেয়ে ভালো টাই বেশি বাসতে এই ঘটনায় তা পরিষ্কার বোঝা যায়। আজ এইসব মনে পড়লে প্রচুর হাসি পায় এইটা ভেবে তখন খেতে কত ভালোবাসতাম।  আজ খাওয়া টাকে শুধু কাজ মনে হয়।

Thank you for reading. Let us make a beautiful World together by co-operating each other. God bless ! COPYRIGHT : All posts on this blog are the works of @Tanusri Sen. Unauthorised use and/or duplication of this material without the express and written permission of the author is strictly not allowed. You may use excerpts and links or reblogs of this material provided that complete and clear credit is given to "With Nature - tanusrirchokhe", author of this - Tanusri Sen and with clear directions to the original content.

Leave a Reply